ডেল কার্নেগী বলেন, আমি চাইতাম বিখ্যাত ব্যক্তিদের মতো সফল হতে; এর জন্য আমি অনেক পরিশ্রমও করেছি কিন্তু আমি কোনভাবেই সফল হইনি, অবশেষে আমি সিদ্ধান্ত নিলাম- অন্যের মতো নয়- বরং আমি হবো আমার মতো।৷৷
এর ব্যাখ্যায় আমি বলি- যখনি নীজেকে মানুষিক ভাবে প্রস্তুত করতে পারবেন যে, আমি কোন লিডারের মত নয় আমি আমার মত হবো। তখনি দেখবেন আপনি সেলিব্রেটি হয়ে গেছেন।
এবার মানুষের প্রতিভা, পরিশ্রম, কাজ,ও কাজের পরিকল্পনা নিয়ে কিছু বলি।
আপনার ভীতরের প্রতিভাটা পৃথিবীর কোন প্রান্তে দাঁড়িয়ে জ্বালিয়ে দেন। দেখবেন আপনার প্রজ্জলিত অগ্নি শিখায় বিশ্ব আলোকিত হয়ে গেছে । তখনি সারা জগৎ আপনাকে অনুসরণ করবে।
আপনি হয়ে যাবেন মিলিয়ন, বিলিয়ন তরুন যুবকদের আইডল। শুধু বিশ্বাস করতে হবে আমি পারব।এবং আমার দ্বারাই সম্ভব।
## কোন কাজকে ছোট করে দেখবেন না। বড় হওয়ার জন্য কাজের ধরন কোন শর্তনা। শর্ত হচ্ছে কাজকে ভালবেসে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া। কাজ কোন জাত খুজেনা, তাই নহে জাত, নহে মাত, করবেন না কারো সমালোনায় কর্নপাত। সর্বদাই সমালোচনার উর্ধে নিজেকে নিয়ে যান। দেখবেন হাটি হাটি পা- পা করে আপনি এভারেস্টের চূড়ায় পৌঁছে গেছেন।
##সাধনা না করলে সাধক হওয়া যায়না। অসাধ্য সাধন হয়ে যায় পরিশ্রম ও ভালবাসায়। পরিকল্পিত পরিশ্রমী হউন দেখবেন জীবন পাল্টিয়ে গেছে। অপরিকল্পিত পরিশ্রম করে জগতে বড় হওয়া যায়না। যদি হতো তাহলে রিক্সা চালক,ঠেলা গাড়ি ওয়ালা,মাটি কাটা লেবারাই রাতারাতি ধনকুবের মালিক হতো। সুতরাং প্রতিটি কাজ হওয়া চাই সুন্দর পরিকল্পনার নিমিত্তে।
## যাদের পরিশ্রমে বড় বড় অট্টালিকা গড়ে উঠে তারা কখনো ওই ঘরে শোতে পারেনা। তাদের ঠিকানা মাটিতে বিছানো একটি পাটি ও কিছু হান্ডি পাতিল।
কাঠের উপর নান্দনিক কারুকাজ করা খাটের কারিগর কখনো তার বানানো খাঁটে ঘুমাতে পারেনা।
ভাঙ্গা চৌকিই তার নিদ্রার ঠিকানা ।
## জীবন অনেক বৈচিত্র্যময় এখানে ছোট ভূলে বড় মাসূল গুনতে হয়। চলুন আমরা ভূল থেকে শিক্ষা নিয়ে জীবন গড়ি। সেই ভূল নীজের নয়, অন্যের। কেননা নীজের ভূল শুধরে জীবন সাজানোরমত মত সময় খুব কমমানুষই পায়। বিখ্যাত পন্ডিত লোকমান হেকিমকে এবার প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, আপনি কার কাছ থেকে জ্ঞান অর্জন করেন, তিনি উত্তরে বলেছিলেন আহাম্মকের কাছ থেকে। আহাম্মক যা করে আমি তার বিপরিত কাজটি করি।
আজকের বিশ্ব ভালবাসা দিবসে সকল তরুন সম্ভাবনাময় যুবকদের জন্য লিখাটি উৎসর্গ করলাম। সকলের প্রতি অনেক অনেক ভালবাসা ও শুভ কামনা।
-------------এন এ মুরাদ -------------------
Thursday, 13 February 2020
Thursday, 6 February 2020
অনুপ্রেরণা
একজন মা, শিক্ষক, বস, কিংবা অগ্রজের অনুপ্রেরণায় বদলে যেতে পারে একটি জীবন।
এমনি একটি জ্বলন্ত উদাহরণ বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসন।
ছেলেবেলা থেকেই কৌতূহলী মন নিয়ে বেড়ে উঠেছিলেন আলভা এডিসন। মাত্র পাঁচ-ছয় বছর বয়স থেকেই বিশ্বখ্যাত এই বিজ্ঞানী জন্ম দিয়েছেন মজার সব কাণ্ড-কারখানা। এমন কিছু ঘটনা অনেকেরই জানা। হাঁস যদি ডিম থেকে বাচ্চা ফোটাতে পারে; তবে মানুষ কেন পারে না? এমন কৌতূহল নিয়ে তিনি একবার হাঁসের খাঁচায় ঢুকে বসে ছিলেন চুপচাপ। হাঁস কীভাবে ডিম থেকে বাচ্চা ফোটায় সেটাই দেখছিলেন নিবিড়ভাবে। সেই শৈশবেই তাঁর অকাট্য যুক্তি ছিল এমন- হাঁসের নিচে ডিম রাখলে তা থেকে বাচ্চা বের হলে আমার পেট থেকে কেন হবে না?
লেখাপড়ায় অনেকটাই দুর্বল ছিলেন এডিসন। স্কুলে পড়াকালীন পরীক্ষায় একবার ফলাফল খারাপ করায় স্কুলের শিক্ষক একটি চিঠি দিয়ে তাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেন। এডিসন বাড়ি ফিরে চিঠিটি তার মায়ের হাতে দেয়। চিঠি পেয়ে মা কী জানি ভাবছিলেন সজল দৃষ্টিতে! তারপর এডিসনের সামনেই উচ্চস্বরে পড়তে লাগলেন চিঠিটা। ‘আপনার পুত্র খুব মেধাবী, এই স্কুলটি তার জন্য অনেক ছোটো এবং এখানে তাকে শেখানোর মতো যথেষ্ট প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নেই। দয়া করে আপনি নিজেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করুন’।চিঠির কথা শুনে এডিসনের চোখ ভরে উঠেছিল অশ্রুতে।
তখন থেকে মায়ের কাছেই শিক্ষা নেওয়া শুরু করলেন তিনি। এরপর অতিবাহিত হয়েছে অনেক বছর। টমাস আলভা এডিসন হয়ে উঠেন বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী, শিল্পপতি এবং মার্কেটিং জগতে সফল উদ্যোক্তা। তখন আর জীবিত ছিলেন না মা। নিজের চোখে দেখে যেতে পারেননি সন্তানের বিশ্বজোড়া সাফল্যগাথা।
একদিন কি এক কাজে পুরনো কাগজ নাড়াচাড়া করছিলেন এডিসন। ভাঁজ করা এক কাগজের দিকে হঠাৎ চোখ পড়ল তাঁর। হাত বাড়িয়ে নিয়ে পড়তে শুরু করলেন সেটি। কাগজটি পড়তে পড়তে তিনি সেদিন ফিরে গিয়েছিলেন বহু বছর আগে স্কুল থেকে পাঠানো সেই চিঠিতে। সেটা পড়তে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছিল অদ্ভুত এক অনুভূতির! অজানা এক ব্যথায় তাঁর বুকে ভেসে গিয়েছিল চোখের জলে। সেই চিঠিতে লেখা ছিল- ‘আপনার সন্তান স্থূলবুদ্ধিসম্পন্ন, সে এই স্কুলের উপযুক্ত নয়, আমরা কোনোভাবেই তাকে আমাদের স্কুলে আর আসতে দিতে পারি না’।
তারপর এডিসন তাঁর ডায়রিতে লিখেন, ‘টমাস আলভা এডিসন একজন স্থূলবুদ্ধিসম্পন্ন শিশু ছিলেন। একজন আদর্শবান মায়ের অনুপ্রেরণায় তিনি শতাব্দীর সেরা মেধাবী হয়ে উঠেন’।
বিজ্ঞানী এডিসনের জীবন থেকে আমরা যেই শিক্ষাটুকু পেলাম তাহলো একজন দূর্বলকে -সবল, অচলকে সচল, শূন্যকে- পূর্ণ করতে এক টুকরো অনুপ্রেরণা দায়ক বাক্যই যতেষ্ঠ। আর এই বাক্য একমাত্র এমন বিচক্ষণ নির্লোভ মহৎ মা,,মহৎ শিক্ষক,, মহৎ বসদের,, কাছ থেকে আশা করা যায়।
এমনি একটি জ্বলন্ত উদাহরণ বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসন।
ছেলেবেলা থেকেই কৌতূহলী মন নিয়ে বেড়ে উঠেছিলেন আলভা এডিসন। মাত্র পাঁচ-ছয় বছর বয়স থেকেই বিশ্বখ্যাত এই বিজ্ঞানী জন্ম দিয়েছেন মজার সব কাণ্ড-কারখানা। এমন কিছু ঘটনা অনেকেরই জানা। হাঁস যদি ডিম থেকে বাচ্চা ফোটাতে পারে; তবে মানুষ কেন পারে না? এমন কৌতূহল নিয়ে তিনি একবার হাঁসের খাঁচায় ঢুকে বসে ছিলেন চুপচাপ। হাঁস কীভাবে ডিম থেকে বাচ্চা ফোটায় সেটাই দেখছিলেন নিবিড়ভাবে। সেই শৈশবেই তাঁর অকাট্য যুক্তি ছিল এমন- হাঁসের নিচে ডিম রাখলে তা থেকে বাচ্চা বের হলে আমার পেট থেকে কেন হবে না?
লেখাপড়ায় অনেকটাই দুর্বল ছিলেন এডিসন। স্কুলে পড়াকালীন পরীক্ষায় একবার ফলাফল খারাপ করায় স্কুলের শিক্ষক একটি চিঠি দিয়ে তাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেন। এডিসন বাড়ি ফিরে চিঠিটি তার মায়ের হাতে দেয়। চিঠি পেয়ে মা কী জানি ভাবছিলেন সজল দৃষ্টিতে! তারপর এডিসনের সামনেই উচ্চস্বরে পড়তে লাগলেন চিঠিটা। ‘আপনার পুত্র খুব মেধাবী, এই স্কুলটি তার জন্য অনেক ছোটো এবং এখানে তাকে শেখানোর মতো যথেষ্ট প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নেই। দয়া করে আপনি নিজেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করুন’।চিঠির কথা শুনে এডিসনের চোখ ভরে উঠেছিল অশ্রুতে।
তখন থেকে মায়ের কাছেই শিক্ষা নেওয়া শুরু করলেন তিনি। এরপর অতিবাহিত হয়েছে অনেক বছর। টমাস আলভা এডিসন হয়ে উঠেন বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী, শিল্পপতি এবং মার্কেটিং জগতে সফল উদ্যোক্তা। তখন আর জীবিত ছিলেন না মা। নিজের চোখে দেখে যেতে পারেননি সন্তানের বিশ্বজোড়া সাফল্যগাথা।
একদিন কি এক কাজে পুরনো কাগজ নাড়াচাড়া করছিলেন এডিসন। ভাঁজ করা এক কাগজের দিকে হঠাৎ চোখ পড়ল তাঁর। হাত বাড়িয়ে নিয়ে পড়তে শুরু করলেন সেটি। কাগজটি পড়তে পড়তে তিনি সেদিন ফিরে গিয়েছিলেন বহু বছর আগে স্কুল থেকে পাঠানো সেই চিঠিতে। সেটা পড়তে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছিল অদ্ভুত এক অনুভূতির! অজানা এক ব্যথায় তাঁর বুকে ভেসে গিয়েছিল চোখের জলে। সেই চিঠিতে লেখা ছিল- ‘আপনার সন্তান স্থূলবুদ্ধিসম্পন্ন, সে এই স্কুলের উপযুক্ত নয়, আমরা কোনোভাবেই তাকে আমাদের স্কুলে আর আসতে দিতে পারি না’।
তারপর এডিসন তাঁর ডায়রিতে লিখেন, ‘টমাস আলভা এডিসন একজন স্থূলবুদ্ধিসম্পন্ন শিশু ছিলেন। একজন আদর্শবান মায়ের অনুপ্রেরণায় তিনি শতাব্দীর সেরা মেধাবী হয়ে উঠেন’।
বিজ্ঞানী এডিসনের জীবন থেকে আমরা যেই শিক্ষাটুকু পেলাম তাহলো একজন দূর্বলকে -সবল, অচলকে সচল, শূন্যকে- পূর্ণ করতে এক টুকরো অনুপ্রেরণা দায়ক বাক্যই যতেষ্ঠ। আর এই বাক্য একমাত্র এমন বিচক্ষণ নির্লোভ মহৎ মা,,মহৎ শিক্ষক,, মহৎ বসদের,, কাছ থেকে আশা করা যায়।
Saturday, 11 January 2020
Subscribe to:
Comments (Atom)